Posts

বাপের বাড়ি যেতে খুব ইচ্ছে হয়!

Image
বাপের বাড়ি যেতে খুব ইচ্ছে হয়! - মুহাম্মাদ আল-আমিন খান একটা মেয়ে আঠারো-বিশ ,   পঁচিশ কিংবা ত্রিশ বছর বাপের বাড়িতে লালিত-পালিত হবার পরে চিরদিনের জন্য চলে যায় শ্বশুরবাড়িতে। তবে এই চলে যাওয়াই কি তার শেষ বিদায় ?   যে পিতা-মাতা তাকে গর্ভে ধারণ করেছেন ,   কত আদর ভালোবাসা দিয়ে লালন-পালন করেছেন ,   ধর্মকর্ম-লেখাপড়া শিখিয়েছেন ,   তারা কেনো এত কষ্ট করেছিলেন ?   এমন তো নয় যে তারা শ্বশুরবাড়িতে মেয়েকে দিবেন না বলে কষ্ট করে বড় করেছেন কাছে রেখে দেবার জন্যে। বরং উপযুক্ত মানুষ করে শ্বশুর বাড়িতে পাঠাবেন এটাও তাদের চাওয়ার মধ্যে ছিল। ভালো পাত্রের হাতে তুলে দিবেন ,   ভালো ঘরে মেয়েকে বিয়ে দিবেন ,   এটাই তারা চেয়েছিলেন। নারী হয়ে জন্ম নিয়েছে ,   মেয়েকে তো আর চিরদিন কাছে রাখা যাবে না! পরের বাড়িতে পাঠাতেই হবে। কিন্তু এত আদরের কন্যাকে পাত্রস্থ করার পর তার অধিকার পুরোপুরি চলে যায় স্বামীর হাতে। এটা সত্য! তবে কি বিয়ে দেবার পর একটি মেয়ের উপর বাবা-মায়ের আর কোনোই অধিকার থাকে না ?   মেয়ের কাছ থেকে ভালোবাসা পাওয়া ,   তাকে ভালোবাসা দেও...

শ্বশুর বাড়ি আপন নয়

Image
শ্বশুর বাড়ি আপন নয় - মুহাম্মাদ আল-আমিন খান অনেক স্বপ্ন - সাধ নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে যাওয়া নতুন বউদের উদ্দেশ্যে আমার উদাত্ত আহ্বান - দেখো , বিয়ের পর তোমার শ্বশুর বাড়িতে থাকাকালীন সময়ে যেকোনো কষ্ট দুঃখের জন্য যে তোমার শ্বশুরবাড়ি দায়ী , স্বামী দায়ী , শ্বশুর - শাশুড়ি দায়ী , ননদ , দেবর - ভাসুর , জা দায়ী , তা কিন্তু নয়। এসব কিছুর জন্য নিজের ভুলটা আগে খুঁজবে। নিজের দোষটা পেয়ে সংশোধন হয়ে গেলে আর শ্বশুরবাড়ি তোমার জন্য দুঃখ - কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াবে না । আর যদি ভাবো নিজের কোনো দোষ নেই তাহলে ভুল ভাবছো। শ্বশুরবাড়ির সকলের ভুলে তুমি ধৈর্য ধরতে পারো না , এটাই তো তোমার বড় দোষ। সত্য কথা হলো - তুমি তোমার শ্বশুর বাড়িতে এসেই যদি ভাবো এটা তোমার নিজের বাড়ি , তাই সবাই তোমাকে খুব গুরুত্ব দেবে , তুমি যা খুশি তাই করতে পারবে , এই ভাবনাটা কিন্তু ভুল। তোমার ভাবনা অনুযায়ী শ্বশুর বাড়ি হবে না , হলেও সহজে নয়। এটা তোমার বাবার বাড়ি নয়। এখানে বাবার বাড়ির পরিবেশ তৈরি করতে হলে সময় লাগবে। তোমাকে সেই পরিবেশটা অর্জন করে নিতে হবে , আপনাআপনি হবে না। নতুন বউ হয়ে এসেই তুমি তা পেয়ে যাবে না ! যখনই তু...

আপনি কি পরিচয় হারিয়ে চতুর্থ লিঙ্গের প্রাণিতে পরিণত হয়েছেন?

Image
আপনি কি পরিচয় হারিয়ে চতুর্থ লিঙ্গের প্রাণিতে পরিণত হয়েছেন? - মুহাম্মাদ আল-আমিন খান পুরুষ অথবা নারী হয়েও আপনি কি সেই পরিচয় হারিয়ে চতুর্থ লিঙ্গের প্রাণিতে পরিণত হয়েছেন? আপনার স্বভাব ও কর্মের সাথে চতুর্থ লিঙ্গের পরিচয়টা মিলিয়ে নিন। আর হ্যাঁ 'চতুর্থ লিঙ্গ' শুধু একটা ধারণা নয়, বরং বহু মানুষকে এই ক্যাটাগরিতে ফেলা যায়। তবে আগে বলি- লিঙ্গ কী? লিঙ্গ বলতে আমরা নারী ও পুরুষের শারিরীক চিহ্নকে বুঝি। লিঙ্গ প্রধানত দুই প্রকার হলেও, হিজরা লিঙ্গের সামাজিক স্বীকৃতি প্রদান জরুরী ছিলো। আর তা করা হয়েছে রাষ্ট্রীয়ভাবে। অর্থাৎ মানুষের তিন প্রকার প্রধান লিঙ্গ যা শারিরীকভাবে একটা মানুষের বাহ্যিক অবরণেও দৃশ্যমান হয়। এ লিঙ্গচিহ্ন বৈধ ও স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা প্রদত্ত যা অস্বীকার করা যায় না বা মুছে ফেলা যায় না বা বৈজ্ঞানিক উপায়ে পরিবর্তন করার চেষ্টা করাটাও অনুচিত ও ভুল। এ তিন প্রকার লিঙ্গের মধ্যে নারী ও পুরুষ বাদে হিজরা সম্প্রদায়কে ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ হিসাবে অভিহিত করা হয়। এর বাইরে আমি আবিষ্কার করেছি ‘চতুর্থ লিঙ্গ’। এ চতুর্থ লিঙ্গ নারী ও পুরুষ লিঙ্গের মানুষের মধ্যে লুকায়িত থাকে, তা অবশ্য দৃশ্যমান দেহে ধরা পড়ে না। ...